জে’নে নিন যাদের জ’মজ স’ন্তান হওয়ার স’ম্ভাবনা স’বচেয়ে বেশি

সন্তান প্রতিটি পরিবারেই খুশি বয়ে আনে। আর যদি জ’মজ সন্তান হয় তবে তো কথাই নেই। সেই পরিবারে আন’ন্দ দ্বি’গু’ণ হয়ে যায়। জ’মজ স’ন্তান কেন হয় বা কাদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এই নিয়ে অনেকরই মনে প্রশ্ন জাগে।

এ বিষয়ে স’ম্প্রতি ডা. রাতু রোমানা বি’স্তারিত তথ্য তু’লে ধ’রেছেন। চলুন জে’নে নেয়া যাক বি’স্তারিত- য’মজ স’ন্তান গ’র্ভধারণ নিয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ডা. রাতু রোমানা বলেন,

য’মজ স’ন্তান দুই ধ’রনের হয়। একটা হ’চ্ছে যারা হুবহু একই রকম দে’খতে। তাদের চা’রিত্রিক বৈ’শিষ্ট্যটা অনেকটা একই রকম। ওদেরকে আম’রা বলি আ’ইডেন্টিক্যাল টুইন।

আরেকটা হচ্ছে হু’বহু দে’খতে একই রকম না, ভাইবোন যেমন হয় বা বোন-বোন বা ভাই-ভাই যেমন হয় সেইরকম। তো যেটা প্রথমে বললাম সেটা হচ্ছে আ’ইডেন্টিক্যাল টু’ইন আর যারা দে’খতে এক রকম না বা তাদের বৈশি’ষ্ট্য একরকম নাও ’হতে পারে সেটা হচ্ছে ফ্যাটার্ন্যাল টুইন।

তিনি বলেন, আ’ইডেন্টিক্যাল টুইনের কারণ খুব বেশি একটা জা’না যায় না। যেমন একটা ডি’ম্বাণু দিয়ে যদি একটি শু’ক্র কী’টের মি’লন হয়। একটা ভ্রু’ণ তৈরি হয় তখন যদি ওইটা হা’র্ড হয়ে যায় তখন হবে হু’বহু এক রকম দে’খতে জ’মজ বা’চ্চা। ওদের কারণ বেশি একটা জা’না যায় না।

য’মজ স’ন্তান কেন হয়? এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. রাতু রোমানা বলেন, ফ্যা’টারম্যান টুইন বা দে’খতে ভাই বোনের মত ওদের ব্যাপারে বলা হচ্ছে যে, জা’তিগত কিছু কারণ থাকতে পারে। যেমন আ’ফ্রিকানরা। আ’ফ্রিকানদের অনেক বেশি জ’মজ বা’চ্চা হয় এশি’য়ানদের চাইতে।

এছাড়া মা’য়ের বয়সটা একটা ব্যা’পার যেমন মায়ের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হয় তাহলেও জ’মজ বা’চ্চা হবার স’ম্ভাবনা থাকে। অথবা আজকাল যেটা বেশি দে’খতে পা’চ্ছি যে, ব’ন্ধ্যা’ত্ব চি’কিৎসার জন্য যে ওষুধগু’লো প্রয়োগ করা হয় এটার জন্য অনেক জ’মজ বা’চ্চা আম’রা দে’খতে পাচ্ছি।

কারণ ওই ওষু’ধগু’লোর কাজ হচ্ছে একটু বেশি বেশি ডিম ফু’টানো। আম’রা জানি যে, প্রতিটা মেয়েরই মা’সিক হওয়ার পর প্রতি মা’সে একটা করে ডিম ফু’টবে। এই ওষু’ধগু’লোর দ্বারা একটু বেশি বেশি ডিম ফু’টে। যার জন্য জ’মজ বা’চ্চা হওয়ার স’ম্ভাবনা ওদের একটু বেশি।

অ’ধ্যাপক ডা. রাতু রোমানা আরো বলেন, তবে আরেকটা সা’য়েন্টিফিক কারণ হচ্ছে জ’মজ মায়ের মেয়ের জ’মজ বা’চ্চা ’হতে পারে। কারণ ওখানে কিন্তু একটা জ’ন্মগত ধা’রা আসে। মায়ের যদি সেই জিনটা থাকে, সেই জিনটা যদি মেয়ের থাকে, যেটা থেকে ডিম একটু বেশি ফু’টবে। তাহলে যে মায়ের যমজ সন্তান থাকে সে মায়ের মেয়েরও য’মজ স’ন্তান ’হতে পারে। মানে জ’ন্মগত একটা দিকও আছে। অন্যদিকে জো’ড়া কলা বা জ’য়েন্ট কলা খেলে যম’জ স’ন্তান হয়- এমন ধারণা নি’তান্তই কু’সং’স্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *