মায়ের সাথে বস্তিতে থাকা ছেলেটি আজ যেভাবে হলেন আমেরিকার রোবট গবেষক

এক সময় মুম্বাইয়ের কুরলা বস্তিতে থাকতেন জয়কুমা’র বৈদ্য। বস্তিতে একটা ছোট ঘরে মায়ের স’’ঙ্গে থাকতেন তিনি। দিনের শেষে পাউরুটি, শিঙাড়া বা চা জুটত তাঁদের কপালে। সেই জয়কুমা’রই এখন যু’ক্তরাষ্ট্রে গবেষণা করছেন। শ্বশুর বাড়ির লোকেরা নলিনীকে বের করে দিয়েছিলেন। ছে’লেকে স’’ঙ্গে নিয়ে তিনি ঠাঁই নেন ওই বস্তিতে। ২০০৩ সাল থেকে তাঁদের অবস্থা আরও খা’রাপ হয়ে যায়। নলিনীর মা একটা চাকরি করতেন। মে’য়েকে তিনি অর্থ সাহায্যও করতেন। কিন্তু ২০০৩ সালে অ’সুস্থতার জন্য তাঁকে চাকরি ছাড়তে হয়।দরিদ্রতার প্রভাব

স্বা’মীকে স্বপ্নে দেখেই গ;র্ভবতী স্ত্রী’!

কাজের সূত্রে স্বা’মী থাকেন দূ’রের শহরে। গত সাত মাস ধরে তিনি বাড়িতে আসেন নাই। অথচ গ;র্ভবতী হয়ে পড়েছেন ‘স্ত্রী। এ ঘটনা কীভাবে সম্ভব! এ নিয়ে ‘স্ত্রীর দাবি, স্বা’মী’কে ভালবেসে স্ব’প্নে দেখার কার’ণেই তিনি গ;র্ভবতী হ’য়েছেন। য’দিও তার এ কথা মে’নে নে’য়নি তার স্বা’মী ও শ্বশুরবাড়ির লো’কজন। ওই দম্প’তির বাড়ি বিহা’রের ভা’গলপুর জে’লার জ’গদীশপুরে। পাঁ’চব’ছর আ’গে বি’য়ে হয়ে’ছিল তাদে’র। বর্তমা’নে দে’ড় বছ’রের একটি মে’য়েও ‘আ’ছে ‘তাদের সং’সারে। তবে কাজের সূত্রে’ গত ‘সাতমা’স ধরে কল’কাতায় ‘থাকছেন ‘তার

প্রকাশ্য রাস্তায় দু’ষ্কৃতী হা’মলা, কো-পানো হচ্ছে দ’ম্পতিকে! ভিডিও করলেন পথচারীরা

করো’না কাঁ’টায় ভু’গছে শহর। যত সময় বা’ড়ছে ততই আ’তঙ্ক বা’ড়াচ্ছে অদৃ’শ্য ভা’ইরাস করো’না। এরই মাঝে প্র’কাশ্য রা’স্তায় দু’ষ্কৃ’তী হা’মলা। ঘট’নাস্থল তে’লে’ঙ্গানা, দি’নের বে’লায় হঠা’ৎই এক আ’ইনজী’বী স্বা’মী’-স্ত্রী’র গা’ড়ি সা’মনে এসে দাঁ’ড়ায় কা’লো রঙে’র একটি গাড়ি। সে’খান থেকে দুটি লো’ক বেরিয়ে টে’নে হিঁ”চড়ে না’মায় স্বা’মী-স্ত্রী’কে। জা’না গি’য়েছে, ওই দম্প’তি ন’মপ’ল্লী ক্রি”মিনাল আ”দালতের আই’নজী’বী। তা’দের না’ম গ’ট্টু ভ’মন ও ন’গামণি। ওই হা’ম’লাকা”রীরা ওই ব্য’ক্তির ও তা’র স্ত্রী’র উপ’র হা”মলা চা’লায়। এরপ’রেই মা’টিতে র”ক্তা”ক্ত অ’বস্থায় ছ’টফ’ট করা’র সম’য়

দুধ বেচতে ৩০ কোটির হেলিকপ্টার কিনলেন কৃষক!

ভারতের মতো কৃষিপ্রধান দেশে কৃষকদের দুর্দশা কম কিছু নয়, কিন্তু এর মধ্যেও ব্যতিক্রম হিসেবে শিরোনামে উঠে এসেছেন মহারাষ্ট্রে জনার্দন ভইর। কারণ, দুধ বেচতে তিনি একটি আস্ত হেলিকপ্টার কিনে ফেলেছেন। যার দাম প্রায় ৩০ কোটি টাকা। মহারাষ্ট্রে ভিওয়ান্ডি এলাকার বাসিন্দা জনার্দন ভইর দুধের ব্যবসা করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তার ব্যবসা ছড়িয়ে রয়েছে। নিজের কাজের জন্য অনেক সময় ওই কৃষককে দেশের অন্য জায়গায় যেতে হয়। আর এই কারণেই তিনি হেলিকপ্টার কিনে নিয়েছেন। এখন থেকে নাকি ওই যন্ত্রের

মা হওয়া অস’ম্ভব ছিল, কিন্তু যেভাবে স’ম্ভব করে, তিন সন্তানের মা হলেন মুকেশ আম্বানীর স্ত্রী!

১৯৮৫ সালে ভারতের স’বচেয়ে ধনী পরিবারে বিয়ে হয় নীতা আম্বানীর। বিয়ের ঠিক এক বছর পর এক চিকি’ৎসক মুকেশ ও নী’তাকে এক দুঃ’খের খবরটা।আর সেই খবরটা হলো নীতার মা হওয়া অস’ম্ভব। আর তখন নীতার সব স্বপ্ন ভে’ঙে চু’রমা’র হয়ে যায়। আর এরপর থেকে নীতার জীবনে সবচেয়ে ক’ঠিন সময় শুরু হয়।অনেক চিকি’ৎসকের পরাম’র্শ নেওয়ার পর নীতা এবং মুকেশ অ’বশেষে স্থির করেন আইভিএফ প’’দ্ধতিতে সন্তান নেওয়ার। ঘ’টনাটি ১৯৮৬ সালে, সে সময় বর্তমান যুগের মতো আইভিএফ এতটা বি’শ্বা’সযোগ্য হয়ে

গার্লফ্রেন্ডকে বাইকের পিছনে চাপিয়ে কা’য়’দা মেরে চালাতে গিয়ে কি ঘটলো দেখুন, তু’মু’ল ভাইরাল ভিডিও!

আমা’দের প্রত্যেকের কমবেশি সখ থাকে যে একটি গাড়ি থাকবে । অর্থাৎ বাইক থাকবে । কারণ নিজের মত বাইক থাকলেই যে কোন সময় নিরুদ্দেশ হওয়া যায় যেকোনো জায়গায় । খুঁজে নেওয়া যায় নিরিবিলি জায়গায় নিজেকে । এর পাশাপাশি অনেক মানুষেরই সু’প্ত বাসনা থাকে যে তাদের জীবনে থাকবে একটি নারীও । অর্থাৎ প্রেমিকা । কেউ কেউ এ বিষয়ে সফল হলেও অনেকে এই জটিল অংকে রীতিমতো ফেল করে যায় । বাইরে কোথাও গাড়ি নিয়ে বের হলে আমা’দের বাড়ির

এক ঘরে ঝুলছে বাবা, মা, ইঞ্জিনিয়ার ছেলের দেহ, চাঞ্চল্য জোকায়

একই পরিবারের বাবা-মা এবং ছেলের ঝু’লন্ত দে’হ উ’দ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য জোকার মণ্ডলপাড়ায়। বুধবার সকালে ওই পরিবারের ৩ জনের দে’হ উ’দ্ধার হয় তাঁদের বাড়িতেই। পু’লিশ সূত্রে খবর, বছর পঞ্চাশের চন্দ্রব্রত মণ্ডল বিধানসভার গ্রুপ ডি কর্মী। স্ত্রী মায়ারানি মণ্ডল গৃহবধূ (৪৫)। ছেলে সুপ্রিয় মণ্ডল ইঞ্জিনিয়ার (২৮)। ভিন রাজ্যে কাজ করতেন। সম্প্রতি তিনি কাজ ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন। ৩ জনের দে’হ উ’দ্ধার হলেও, মৃ’’ত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার ত’দন্তে নেমেছে ঠাকুরপুকুর থানা। পু’লিশ সূত্রে খবর, এ দিন

ভাগ্য বদল, ৭৫০ কেজির বিশালাকৃতি মাছ ধরা পড়েছে মৎস্যজীবীদের জালে

মৎস্যজীবীদের জালে বড় সাইজের মাছ ধ’রা পড়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে এবার যেটা হল, সেটা সত্যিই বিরল। তবে এবার ঘটনাস্থল দীঘা বা ওড়িশা উপকূল নয়। এবার ঘটনাস্থল কর্ণাটক। সেখানে মৎস্যজীবিদের জালে ধ’রা পড়েছে ৭৫০ কেজির বিশালাকৃতি মাছ, যা দেখে কার্যত ‘’হতবাক মৎস্যজীবীরাই। ম’’ঙ্গলবার নৌকা নিয়ে মাঝসমুদ্রে রওনা হন সুভাষ সাইলান নামে এক মৎস্যজীবী। আর তাঁর জালেই ধ’রা পড়ে এই শংকর মাছ। এর স’’ঙ্গে আড়াইশো কেজির আরও একটি মাছ জালে ধ’রা পড়ে। সুভাষ যখন মাছ নিয়ে