যে কারনে আপনার নিয়মিত মধু খাওয়া উচিত

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গু’নের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমা’দের শুধুমাত্র দে’হের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দে’হের অভ্যন্তরীণ অ’ঙ্গ প্রত্য’ঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।সর্বগু’ন সম্পন্ন এই মধুর গু’নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে

আপনি জানেন কি কাঁঠাল আমাদের কি উপকার করে?

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। দেশের সর্বত্রই কম-বেশি এই কাঁঠাল পাওয়া যায়। বসন্ত ও গ্রীষ্মের প্রথমে কাঁচা অবস্থায় এবং গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলটি আকারে বেশ বড় হয়। নানান পুষ্টিগু’ণে পুরোপুরি ভরপুর কাঁঠাল।  কাঁঠালের ৪-৫ কোয়া থেকে ১০০ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। এর হলুদ রঙের কোষ হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ সমদ্ধ। ২-৩ কোয়া কাঁঠাল আমা’দের এক দিনের ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদা পূরণ করে।সেজন্য কাঁঠাল অ’পুষ্টিজনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য

বেদেনা আমাদের কি কি উপকার করে?

ডালিম রোগীর উপকারি ফল হিসেবে খুবই জনপ্রিয়। ডালিমকে স্বর্গীয় ফল বলা হয়। কারণ এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জাদুকরী গু’নাগু’ন। ডালিম বা বেদানা ফল মোটামুটি সারা বছর পাওয়া যায় । গাছ গু’ল্ম জাতীয়, ৫-৮ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাকা ফল দেখতে লাল রঙের হয় । ফলের খোসার ভিতরে স্ফটিকের মত লাল রঙের দানা দানা থাকে । সেগু’লোই খেতে হয়। এর আদি নিবাস ইরান এবং ইরাক। ডালিম ফল ডালিমগাছের পাতা, ছাল, মূল, মূলের ছাল সবই ওষুধি

আসুন জেনে নেই আদার অজানা উপকার

আদা এমন একটি উদ্ভিদ মূল যা মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। আবার মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যেও অন্যতম আদা। খাদ্যশিল্পে, পানীয় তৈরীতে, আচার, ঔষধ ও সুগন্ধি তৈরীতে ব্যবহার করা হয় এটি। আবার ভেষজ ঔষধ হিসেবেও খুব জনপ্রিয় আদা। শুধু এই আদা সেবনের মাধ্যমেই রক্ষা পাওয়া যায় বড় বড় রোগের আক্রমণ থেকে। তাই আর দেরি না করে আসুন জেনে নেই রোগ মুক্তিতে আদার নানা ভূমিকা।আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী।ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। কাশি

আপনি জানেন কি আমলকী আমাদের কি উপকার করে

আমলকি এক প্রকার ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম – আমালিকা। ইংরেজি নাম -aamla বা Indian gooseberry। আমলকি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Phyllanthus emblica বা Emblica officinalis। এর স্বাদ প্রথমে কষাটে লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকির অনেক ভেষজ গু’ণ রয়েছে। প্রতিদিন একটি আমলকি খাওয়ার অভ্যেস করুন।আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গু’ণ ও ১০ গু’ণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে

আপনি জানেন কি কচুর লতি আমাদের কি উপকার করে

আমা’দের দেশে নানা ধরনের কচু পাওয়া যায়। পানি কচু, মুখি কচু, কচুর লতি, ওলকচু প্রভৃতি। তবে পুষ্টি ও গু’ণাগু’ণের দিক থেকে কচু এবং কচুপাতা অনেক উপকারী।বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কচুর ডাঁটা এবং পাতায় পুষ্টির মোটামুটি সব উপাদানই থাকে। কচুতে আয়রন, মিনারেল এবং সব ধরনের ভিটামিন বিভিন্ন পরিমাণে থাকে। পাঠকদের সামনে কচুর কয়েকটি গু’ণাগু’ণ নিয়ে আলোচনা করা হলো: আয়রন : কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এটা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গ’র্ভস্থ অবস্থা, খেলোয়াড়, বাড়ন্ত শিশু, কেমোথেরাপি

আপনি জানেন কি সরিষার তেল আমাদের কি উপকার করে

ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এ’সিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃ’দ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। এর ঔষধি গু’ণাগু’ণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে এই তেল। ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের অসাধারণ উপকারী। সরিষা তেল শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। নিদ্রাহীনতা ও ক্যান্সার প্রতিরোধক। শরীরে ব্যথা কমায়। শ্বাসকষ্টের প্রদাহ হ্রাস করে। র’ক্ত সঞ্চালন, হজম প্রক্রিয়া এবং হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে

আসুন জানি মাথার উকুন দূর করার সহজ পদ্ধতি

চুলে উকুনের সমস্যা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি চুলকানির কারণে একটি বির’ক্তিকর বিষয়ও বটে। মাথায় উকুন আসার পর ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডিম পাড়ে। এর পর ১০ দিন সময় লাগে উকুন বড় ’হতে। একস’ঙ্গে ডিম থেকে উকুন হওয়ার কারণে অনেক দ্রুত চুলে উকুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে যতই উকুননাশক প্রসাধনী ব্যবহার করেন, উকুন বারবার ফিরে আসে। আর এই প্রসাধনীতে নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য থাকার কারণে চুলেরও মা’রাত্মক ক্ষতি হয়। ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১৫ মিনিটেই আপনি উকুনের

আসুন জেনে নেই চুলের যত্ন নেওয়ার সহজ উপায়

” চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা ” লিখেছিলেন জীবনানন্দ।বাঙালির কাছে ঘন কালো চুলের বাহার চিরকালেই নজরকাড়া। কিন্তু ব্যস্ততার জীবনে চুলের যত্ন না নেওয়ার ফলে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে , পড়ে যাচ্ছে চুল।আমা’দের দৈনন্দিন কিছু অভ্যেসই কিন্তু আমা’দের চুলের স্বাস্থ্যকে ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে।আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিনের জীবনযাপনেও কীভাবে আমর’া নিতে পারি আমা’দের চুলের যত্ন।রোজের খাওয়াদাওয়ার উপরে অনেকটাই নির্ভর করে চুলের স্বাস্থ্য।তাই চুল ভাল রাখতে খাওয়াদাওয়া ঠিক করে করতে হবে।যদি আপনার চুল

আসুন জেনে নেই ঘামাচি দূর করার সহজ উপায়

বেশ কিছুদিন ধরেই কাঠফাটা রোদ আর প্রখর তাপ ওষ্ঠাগত প্রাণ। বৃষ্টির দেখা নেই। এই গরমে ডায়েরিয়া, কলেরা, এলার্জি, ঘামাচি, জ্বরসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়। তবে গরমে একটি সমস্যা খুব বেশি দেখা দেয় তা হল ঘামাচির সমস্যা।ঘামাচির কারণে শরীর চুলকায়। কাপড় পরে শান্তি পান না আপনি। ঘামাচির সমস্যা অনেকের থাকলেও বেশিরভাগ মানুষই জানেন না যে ঘামাচি তাড়াতে ঘরোয়া উপায়ই যথেষ্ট।আপনি চাইলে প্রাকৃতিক উপায়ে তাড়াতে পাড়েন ঘামাচি। কিছু উপাদান রয়েছে যেমন- টুকরো বরফ, অ্যালোভেরা, চন্দনের গু’ঁড়ো