সাজানো সংসার পিকআপে তুলে গ্রামে ফিরছে মানুষ

তাহমিনা, রুবিনা ও হেলেনা বেগমের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে থাকতেন রাজধানীর আট’িবাজার এলাকায়। তাহমিনা বেগম কাজ করতেন গার্মেন্টসে, হেলেনা বেগম ছেলে-মেয়েকে লেখাপড়া করানোর জন্য এসেছিলেন ঢাকায় আর গৃহিণী রুবিনা বেগম ঢাকায় থাকতেন গাড়িচালক স্বামীর সাথে। করোনায় গত এক বছরের বেশি সময়ে চালু হয়নি হেলেনা বেগমের সন্তানদের বিদ্যালয়। আর নতুন করে লকডাউনে তাহমিনা বেগমের গার্মেন্টস আর রুবিনা বেগমের স্বামীর কর্মস্থল আবারও বন্ধ। আয়ের পথ না থাকায় ব্যয় করার সামর’্থ্য নেই তাদের। এমন পরিস্থিতিতে

শে‘ষ হলো অমির ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’, আ,বেগে ভাসছে দর্শক

দেশীয় সিরিয়াল দর্শক দেখে না।’ বেশকিছু দিন ধরেই ধা’রাবাহিক নাটক নিয়ে এমন অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগ ভুল প্রমাণ করলো কাজল আরেফিন অমির তুমুল আলোচিত সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। শুরু থেকে প্রতিটি পর্ব টানটান উত্তেজনায় রেখে ৭৯ পর্বে এসে সিরিয়ালটি শেষ হলো। ম’ঙ্গলবার ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৩ এর শেষ পর্ব প্রচার হয়েছে ধ্রুব টিভির ইউটিউবে। প্রচারের পর থেকে সিরিয়ালটির নিয়মিত দর্শকরা আনন্দ-দুঃখে আবেগে ভাসছেন! এ নিয়ে সোশাল মিডিয়াও সরগরম। দর্শকদের কথা, গত তিন বছরে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র তিনটি

পড়াশোনার খরচ চালাতে দে’হ ব্য’বসায় ঝুঁকছেন শিক্ষার্থীরা!

মহা’মা’রি ক’রো’নাভাই’রাসে গত বছর থেকে বিশ্বের সবকিছু থমকে গেছে। এর ছাপ পড়েছে মানুষের জীবনযাত্রায়। বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগু’লোর অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। মাঝে কিছুদিনের জন্য সবকিছু স্বাভাবিক হলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে ক’রো’নার সংক্রমণ। ফলে আবার লকডাউনের দিকে যাচ্ছে বিশ্ব। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে কোটি মানুষের জীবনযাত্রা। তবে এসবের মধ্যে ভ’য়াবহ এক খবর দিয়েছে ব্রিটেনের ট্যাবলয়েড পত্রিকা ডেইলি মেইল। পত্রিকাটি তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ইউরোপ-আ’মেরিকার মতো উন্নত দেশগু’লোতে থাকা না’রী শিক্ষার্থীরা ‘দে’হ ব্য’বসার দিকে ঝুঁকছেন। মূলত তাদের পড়াশোনার

ভা’রতে ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন মমতাজ

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম গান গেয়ে পেয়েছেন মানুষের ভালোবাসা। হয়েছেন সংসদ সদস্যও। জীবনে সেবা করেছেন অসংখ্য মানুষের। সমাজের কল্যানে রেখেছেন নানা ভূমিকা। আর এসবের জন্য এবার পেলেন সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। ভা’রতের তামিলনাড়ুর গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভা’র্সিটি থেকে মমতাজকে দেয়া হয়েছে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। গত শনিবার (১০ এপ্রিল) এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইউনিভা’র্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. পি ম্যানুয়েল মমতাজের হাতে ‘ডক্টর অব মিউজিক’ পদকটি তুলে দেন। ডিগ্রি নেয়ার সময়কার নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

‘আমা’র মতো নুরুকে খাইতে নাকি ১০ সেকেন্ড সময়ও লাগবে না’

বাংলাদেশ ছাত্র-যুব-শ্রমিক অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর অ’ভিযোগ করে বলেছেন, “তারা আমাকে বিভিন্ন রকমের হু’মকি দিয়েছে। ‘খালেদা জিয়ার মতো নেতাকে জে’লে নিয়ে গেলে তোমা’র মতো নুরুকে খাইতে ১০ সেকেন্ড সময়ও লাগবে না’- এমন কথাও শুনেছি।” সোমবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হা’মিদ মিলনায়তনে ‘উদ্বি’গ্ন অ’ভিভাবক ও নাগরিক সমাজ’ শীর্ষক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা

সকল মে’য়েদের জানা জ’রুরী, যেসব খাবার খেলে গ’র্ভের স’ন্তান ন’ষ্ট হয়ে যায়

স’ন্তানের মা হওয়ার স্বাদটাই আলাদা। তবে মা হবার ক্ষেত্রে সচেতন থাকা জরুরি। প্রথমবার মা হওয়ার ক্ষেত্রে জানত হবে অনেক কিছুই।হয়তো জানেন প্রথম প্রেগন্যান্সিতে মিসক্যারেজ বা গ’র্ভপাতের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে? শা’রীরিক জটিলতা ছাড়াও এটা হয়ে থাকে অনভিজ্ঞতার কারণে। তাই আপনার জানা থাকা জরুরী গ’র্ভপাত এড়াতে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন।বার্লি : বার্লির অনেক ভাল গু’ণ থাকলেও গ’র্ভাবস্থার প্রথম অবস্থায় বার্লি খেলে মিসক্যারেজ হয়ে যেতে পারে। কাঁচা পেঁপে : প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস অবশ্যই কাঁচা পেঁপে

মামা বিদেশ, আ’পত্তিকর অবস্থায় ধ’রা পড়ায় মামীর সঙ্গে ভাগ্নের বিয়ে!

মামা’র প্রবাসে থাকার সুযোগ নিয়ে কলেজপড়ুয়া মামী-ভা’গ্নের মধ্যে গড়ে উঠে প্রে’মের স’ম্পর্ক। ধীরে ধীরে মন দেয়া নেয়া হয় তাদের। এরপরই একদিন মামীর স’ঙ্গে পর’কী’য়ায় ধ’রা পড়ে ভা’গ্নে হারুন। বিচারে নাকে খত দিতে হয় তাকে। এছাড়াও জুতার মালা গলায় দিয়ে ঘুরানো হয় সারা গ্রাম। এতে হারুনের মনে জেদ চেপে বসলে শেষ পর্যন্ত মামীকেই বিয়ে করে ঘরে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার ধাম’রাইয়ে। ধাম’রাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মামুরা গ্রামের জুদু মিয়ার ছে’লে সি’ঙ্গাপুর প্রবাসী আজাহারুল ইস’লাম বছর দুই আগে

চলন্ত ট্রেন থেকে লা’ফ দিয়ে নামলেন দুই যু’বতী, নেটদুনিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ভিডিও

অন্যান্য সব যানবাহনের মধ্যে ট্রেন অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করে থাকেন। অন্যান্য সব যানবাহনের থেকে ট্রেনের খরচা অনেক কম, এবং ট্রেনে করে অনেক দূর দূরান্ত অব্দি যাওয়া যায়। বিশেষ করে নানা জায়গায় যাওয়ার জন্য ট্রেনের থেকে ভাল মাধ্যম হয় না। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুর্বার মানুষরা ট্রেনে করে যাওয়াই স্বাচ্ছ’ন্দ্যবোধ করেন। রোজকার পথে, স্টেশনের। পর স্টেশন যেতে ট্রেনই ভরসা। কিন্তু প্রায়ই শোনা যায় ট্রেন এ’ক্সি’ডেন্ট এর কথা। কখনোবা ভিড়ে নামতে গিয়ে, কখনো তাড়াহুড়ো করে পড়ে গিয়ে নানা