বাংলা ছবির কোনো মাথামুন্ডু নেই, টাকার জোরেই চলছে সব রিয়্যালিটি শো, টলিউড-বলিউড নিয়ে বিস্ফোরক কুমার শানু

স’ঙ্গীতজগতের জনপ্রিয় স’ঙ্গীত শিল্পী হলেন কুমা’র শানু(Kumar Sanu)। রোমান্টিক গানে তার অসাধারণ সুরের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছেন আসমুদ্রহিমাচল। প্রেমে পড়ার গান থেকে বিচ্ছেদের গান সবেতেই কুমা’র শানুর গলার সুর মানানসই। দীর্ঘ বহু বছর ধরে তিনি বলিউড-টলিউড দুই জায়গাতেই চুটিয়ে কাজ করেছেন। তবে তার খ্যাতির পাশাপাশি তাকে নিয়ে বিতর্ক চলে প্রচুর। বরাবরই নিজের মনের কথা তিনি স্পষ্ট ভাবে বলে দিতে পছন্দ করেন। আর সেই কারণেই বহুবার বিতর্কে জড়িয়েছে তার নাম। এইবারও সেটা আর অন্যথা হয়নি। সম্প্রতি কলকাতায়

রণবীর হোক কিংবা কঙ্গনার ছবি! দর্শকশূন্যতায় বাতিল হয়েছিলো এই ৪ বিগ বাজেটের সিনেমা

কোন ছবি(Cinema) তৈরি করার পেছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে থাকে অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে সমস্ত কলাকুশলীরা। কিন্তু সেই সিনেমাই যখন দর্শকদের মন জয় করতে পারে না, এবং দর্শকশূন্যতার জন্য প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় সেই ছবি তখন সেটা যে কোন অভিনেতার কাছে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সম্প্রতি বলিউডের কন্ট্রোভার্সি কুইন ক’ঙ্গনা অভিনীত ‘ধাকড়’ সিনেমাটি এরকমই চরম ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছে। যদিও বলিউডে এটাই প্রথম ছবি নয় এর আগেও বেশকিছু বিগ বাজেটের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। যেকোনো সিনেমা মুক্তির

দেশের প্রথম নায়িকার সন্তানের জীবন চলছে ভিক্ষার টাকায়

জীবনের শেষ দিনগু’লো ভীষণ অভাব অনটনের মধ্যে পার করেছেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের অভিনেত্রী বিলকিস বারী। জীবনের শেষের দিনগু’লোতে সংসার চালাতে তাকে হাত পাততে হয়েছে মানুষের দারে দারে। তিনি মা’রা যাবার পর তার মেয়ে ভুলু বারীরও জীবন কাটছে মানুষের কাছে হাত পেতে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-এর কাছাকাছি এলাকায় একটি ভাঙা ঘরে থাকেন ভুলু বারী। প্রতিদিন সকালে প্রিয় প্রা’ঙ্গণ এফডিসি’তে আসেন তিনি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স’ঙ্গে দেখা করেন।তাদের

‘১ কোটি দিলেও বিয়েবাড়িতে গান গাইবো না’, প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে

ঘন্টাখানেক আগেও যে মানুষটা মঞ্চ কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, নিজের সুরের জাদুতে হিন্দোল তুলছিলেন অনুরাগীদের মনে সেই মানুষটাই নিথর অবস্থায় আজ হাসপাতালে। ম’ঙ্গলবার রাতটা দুঃস্বপ্নের মতোই কে’টেছে স’ঙ্গীতপ্রেমীদের। মানুষকে অসংখ্য মেলোডি উপহার দিয়ে ম’ঙ্গলবার রাত্রে মাত্র ৫৩ বছর বয়সে বিখ্যাত স’ঙ্গীতশিল্পী “কৃষ্ণকুমা’র কুনাথ” পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। অনুরাগীদের জন্য রেখে গেছেন তার অসাধারণ সব গান এবং কিছু স্মৃ’তি। ২০০৮ সালে তার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, একটা সময় ছিলো যখন তার কাছে বিভিন্ন বিয়ে বাড়িতে গান গাওয়ার

কেউ ১ কোটি তো কেউ ১.৫ কোটি, প্রত্যেক স্টেজ পারফরমেন্স অনুযায়ী কত পারিশ্রমিক নেন এই ৭ গায়ক

প্রাচীন কাল থেকেই ভারতে স’ঙ্গীত চর্চা বহুল প্রচলিত। সেই সময় থেকেই স’ঙ্গীত নিয়ে একরকম পাগল আমা’দের দেশের মানুষজন। আর যারা এই স’ঙ্গীত শিল্পের সাধনা করেন তাদের আমর’া ভগবানের চেয়ে কম কিছু মানিনা। তাদের সুরের মূর্ছনায় প্রেমিকের তার প্রেমিকার সাথে বিচ্ছেদের বিরহ যন্ত্রণা লাঘব হয়। সুখে দুঃখে তারাই আমা’দের ভরসা।সেরকম এই মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক গায়ক আছেন যারা তাদের কণ্ঠের জাদুতে শ্রোতাদের অন্য জগতে নিয়ে যেতে পারেন। এনাদের মধ্যে অনেকেই চলচ্চিত্র এবং বিভিন্ন মঞ্চে লাইভ পারফরম্যান্স